৬ ঘণ্টার মধ্যে ১১ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার করে প্রশংসিত বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন

নুরুজ্জামান সাউদ:

পেশাগত দক্ষতা, সাহসিকতা এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চতুর্থবারের মতো নারায়ণগঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে বিশেষ পুরস্কার লাভ করেছেন বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মো. জামাল উদ্দিন।

অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা ও পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ (বুধবার) অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মো. হাবিবুর রহমান।

যে চাঞ্চল্যকর সাফল্যের জন্য এই স্বীকৃতি:

বন্দর থানা এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের কর্মী বুলবুলকে নির্মমভাবে হত্যা করে আলোচিত দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনী। এই হত্যাকাণ্ডের পর ওসি মো. জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে নামে এবং মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত সন্ত্রাসী শেখ সিফাতসহ ১১ জন আসামিকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। ইতিপূর্বে দুর্ধর্ষ এই সন্ত্রাসী শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে। তাঁর এই সময়োপযোগী, সাহসী ও দুর্দান্ত পদক্ষেপের ফলে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত রহস্য উদঘাটন হয় এবং জেলাজুড়ে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য, ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮:০০ ঘটিকায় জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড এবং সকাল ১০:০০ ঘটিকায় পুলিশ লাইনস্ ড্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, অপরাধ দমন এবং ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনে বিশেষ অবদান রাখায় বন্দর থানার ওসি মো. জামাল উদ্দিনের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব তারেক আল মেহেদী এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-সার্কেল) জনাব দীপংকর ঘোষকেও বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

সভায় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের চৌকস পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বন্দর থানার ওসির এই ধারাবাহিক সাফল্য ও সাহসিকতা সাধারণ মানুষের মনে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আস্থা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *