কামরুল ইসলাম:
চট্টগ্রাম উত্তর জেলার রাঙ্গুনিয়া আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী ফসলি জমি রক্ষা ও পাহাড় কাটা বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করলেও এলাকায় থামছে না অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন। এমপির কঠোর নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতায় বালু ও মাটি খেকোরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তবে তিনি সংসদীয় অধিবেশন বা দাপ্তরিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে সিন্ডিকেটগুলো। এলাকাবাসী জানান, এমপি এলাকায় আসলে বালু উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও, তিনি ঢাকা রওনা হওয়ার পরপরই দ্বিগুণ উৎসাহে শুরু হয় ফসলি জমি ও পাহাড় কাটার মহোৎসব। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—আইন অমান্যকারী এই বালু খেকোদের খুঁটির জোর কোথায়?
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করার মূল দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসনের। কিন্তু এমপির স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। প্রশাসনের এই নির্লিপ্ততার সুযোগ নিয়ে বালু ও মাটি পাচারকারীরা আইনকে তোয়াক্কা না করে দিনরাত জনপদ ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছে। রাঙ্গুনিয়ার প্রকৃতি ও কৃষিজমি রক্ষায় এই অসাধু চক্রকে চিরতরে নির্মূল করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।