নিজস্ব প্রতিবেদক:
গত ১৩ অক্টোবর জাতীয় দৈনিক কালবেলা ও আমার দেশ পত্রিকা এবং অনলাইন মাধ্যমে ‘শ্যালিকার নামে সারের ডিলারশিপ পেতে ইউপি সদস্য দুলাভাইয়ের কারসাজি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিউটি বেগম ও মো. আলম খন্দকার। গত ৪ নভেম্বর পাঠানো পৃথক প্রতিবাদলিপিতে তাঁরা প্রকাশিত সংবাদের বিভিন্ন তথ্যকে অসত্য দাবি করেন।
প্রতিবাদলিপিতে বিউটি বেগম উল্লেখ করেন, আলিমাবাদ ইউনিয়নে সারের ডিলারশিপের জন্য তাঁর প্রতিষ্ঠান মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্স সম্পূর্ণ বৈধ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছে। প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদ ও ভোটারসংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করেছে। প্রকাশিত সংবাদে ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহার ও তথ্য গোপনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভোলা জেলায় পরিচালিত লাইসেন্সের সঙ্গে বর্তমান আবেদনের কোনো বিধিগত সংঘাত নেই। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিধি অনুসরণ করেই তিনি আবেদন করেছেন। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছে বলেও দাবি করেন বিউটি বেগম।
অন্যদিকে, পৃথক প্রতিবাদলিপিতে মো. আলম খন্দকার উল্লেখ করেন, তাঁর নামে ভোলার রাজাপুরে থাকা খুচরা বিক্রেতার আইডি আগেই বাতিল করা হয়েছে। আলিমাবাদে সারের ডিলারশিপের আবেদনে কোনো ধরনের জালিয়াতি করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
আলম খন্দকার আরও বলেন, ইউপি সদস্য মো. সবুজ তাঁর আত্মীয় হলেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি কেবল নিয়ম অনুযায়ী সহযোগিতা করেছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কারসাজি করা হয়নি। প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
প্রতিবাদলিপিতে নিবেদক হিসেবে বিউটি বেগম ও মো. আলম খন্দকারের নাম উল্লেখ রয়েছে।