অনুমোদন ছাড়াই প্ল্যান্ট নির্মাণের অভিযোগ সুপার পেট্রোকেমিক্যালের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার:

প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন পাওয়ার আগেই রিফাইনারি প্ল্যান্ট নির্মাণ এবং পরে সেটি চালুর অনুমোদন পেতে তদবিরের অভিযোগ উঠেছে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি (এসপিএল)-এর বিরুদ্ধে। অপরিশোধিত তেল আমদানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য প্রতিষ্ঠানটির আবেদন একাধিকবার নাকচ হওয়ার পরও নতুন করে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এদিকে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবের বিষয়ে নেতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আগের সিদ্ধান্তের পর পুনরায় বিপিসির কাছে মতামত চাওয়ায় প্রস্তাবটি নতুন করে বিবেচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এ প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য এবং প্ল্যান্ট চালুর বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান কী, তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও নথিপত্রের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

আবেদন নাকচের পরও নতুন করে তৎপরতা

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর অপরিশোধিত তেল আমদানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য আবেদন করে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি। প্রতিষ্ঠানটি বেসরকারি পর্যায়ে রিফাইনারি স্থাপন করে জ্বালানি তেল উৎপাদন ও বাজারজাত করার পরিকল্পনা তুলে ধরে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বেসরকারি পর্যায়ে রিফাইনারি স্থাপন নীতিমালা-২০২৩’-এর আওতায় প্রয়োজনীয় চূড়ান্ত অনুমোদন না থাকায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটির আবেদন নাকচ করে দেয়। এ সিদ্ধান্তের পরও এসপিএল নতুন করে আবেদন ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব বরাবর আবারও আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। ওই আবেদনে বার্ষিক ১৫ লাখ মেট্রিক টন পরিশোধনক্ষমতাসম্পন্ন পরিবেশবান্ধব ইউরো-৫ মানের রিফাইনারি স্থাপনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর একই বছরের ১৪ জুলাই জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দেয় এসপিএল। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ওই চিঠিতে দৈনিক ৩৫ হাজার ব্যারেল প্রক্রিয়াজাতকরণ সক্ষমতার প্ল্যান্ট চালুর বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হয়।

আবেদন, পুনরায় আবেদন এবং মন্ত্রীর কাছে হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দেওয়ার ধারাবাহিকতায় বিষয়টি আবারও সরকারি পর্যায়ে আলোচনায় আসে। তবে প্রতিষ্ঠানটির আবেদন নাকচ হওয়ার পর কোন কোন শর্ত পূরণ করা হয়েছে, অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নতুন কোনো তথ্য যুক্ত হয়েছে কি না এবং আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আইনগত ভিত্তি কী—এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

১৮ অক্টোবর বিপিসির কাছে ফের মতামত চাওয়া

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৮ অক্টোবর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হকের স্বাক্ষরে বিপিসির চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে এসপিএলের প্রস্তাব পুনর্মূল্যায়ন করে মতামত দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, এর আগে এসপিএলের আবেদন নাকচ করার প্রক্রিয়ায়ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যুক্ত ছিলেন। আগের সিদ্ধান্তের পর নতুন করে মতামত চাওয়ার কারণ এবং এ ক্ষেত্রে কোন নীতিমালা বা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে, তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন।

তবে পুনরায় মতামত চাওয়া মানেই আগের সিদ্ধান্ত বাতিল বা প্রতিষ্ঠানটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। সরকারি কোনো প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তর নতুন করে তথ্য বা মতামত চাইতে পারে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আগের সিদ্ধান্তের ভিত্তি, নতুন আবেদনের বিষয়বস্তু এবং প্রযোজ্য নীতিমালা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না।

বিপিসির বোর্ড সভায় প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসপিএলের প্রস্তাবের বিষয়ে বিপিসি আগে থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। ২০২৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পাঠানো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ৮ ফেব্রুয়ারি বিপিসির ১ হাজার ১৭তম বোর্ড সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়।

প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বোর্ড সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, সরকারি ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) দ্বিতীয় ইউনিট বা ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্প বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের তেল পরিশোধন সক্ষমতা তিন গুণ বাড়বে এবং এসপিএম প্রকল্পের শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

এ প্রেক্ষাপটে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটিকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনের সুযোগ দেওয়া এই মুহূর্তে যৌক্তিক নয় বলে বিপিসির পরিচালকেরা মত দেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এ অবস্থান ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর এসপিএলের আবেদন নাকচের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিপিসির এ অবস্থানের পেছনে সরকারি রিফাইনারির সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদ্যমান অবকাঠামোর ব্যবহার এবং জ্বালানি খাতের পরিকল্পনার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। তবে বোর্ড সভার কার্যবিবরণী ও সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক নথি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট যাচাই করা প্রয়োজন।

অনুমোদনের আগে প্ল্যান্ট নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক

পুরো বিষয়টির সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো, প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার আগেই এসপিএলের প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আবেদন নাকচ হওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনা নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করেছে এবং এখন সেটি চালুর অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছে।

জ্বালানি খাতের মতো নিয়ন্ত্রিত ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে শিল্প স্থাপনা নির্মাণ এবং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রযোজ্য অনুমোদন ও শর্ত পূরণ করা জরুরি। এ ধরনের অনুমোদন ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা, পরিবেশগত ছাড়পত্র, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়গুলো যাচাই করা প্রয়োজন।

এ ক্ষেত্রে প্ল্যান্ট নির্মাণের সময় কোন কোন অনুমোদন ছিল, নির্মাণকাজের জন্য আলাদা ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছিল কি না এবং রিফাইনারি পরিচালনার চূড়ান্ত অনুমোদন থেকে নির্মাণের অনুমতি পৃথক ছিল কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা দরকার। কারণ স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি এবং বাণিজ্যিকভাবে রিফাইনারি চালুর অনুমোদন এক বিষয় নয়।

তাই অভিযোগের প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণে প্ল্যান্ট নির্মাণের নথি, সংশ্লিষ্ট সরকারি অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং পরিদর্শন প্রতিবেদন যাচাই করা জরুরি। এসব নথি ছাড়া স্থাপনাটিকে চূড়ান্তভাবে অবৈধ ঘোষণা করা কিংবা চালুর অনুমোদন দেওয়া যাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।

বিশেষজ্ঞের বক্তব্যে নীতিমালা অনুসরণের তাগিদ

প্রকাশিত প্রতিবেদনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. এম শামসুল আলমের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি অনুমোদন ছাড়াই প্ল্যান্ট নির্মাণের অভিযোগকে গুরুতর হিসেবে দেখেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা গড়ে তোলা হলে তা আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী হতে পারে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বলেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর মতে, অনুমোদনসংক্রান্ত শর্ত পূরণ না করে কোনো স্থাপনা গড়ে তোলা হলে পরবর্তী সময়ে সেটিকে বৈধতা দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞের এ বক্তব্যের আলোকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, এসপিএল কোন অনুমোদনের ভিত্তিতে প্ল্যান্ট নির্মাণ করেছে এবং নির্মাণের সময় প্রযোজ্য আইন ও নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছিল কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরগুলোর বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।

প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য পাওয়া যায়নি

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ ও সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ সম্পর্কে বক্তব্য জানতে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রণব কুমার সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বিপিসির একাধিক কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট চিঠি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাঁরা নাম প্রকাশ করে বিস্তারিত বক্তব্য দিতে রাজি হননি। বিপিসির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেননি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এ অবস্থায় এসপিএলের পক্ষ থেকে প্ল্যান্ট নির্মাণ, অনুমোদনসংক্রান্ত আবেদন এবং চালুর পরিকল্পনা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসির অবস্থান স্পষ্ট হলে পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি

সুপার পেট্রোকেমিক্যালের রিফাইনারি প্রকল্প ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও নথিভিত্তিক পর্যালোচনা প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানটির আবেদন কেন নাকচ হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে নতুন কী তথ্য বা শর্ত সামনে এসেছে, প্ল্যান্ট নির্মাণের অনুমোদন ছিল কি না এবং পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোন বিধান অনুসরণ করা হচ্ছে—এসব প্রশ্নের জবাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া জরুরি।

একই সঙ্গে সরকারি ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্পের অগ্রাধিকার এবং বেসরকারি রিফাইনারি স্থাপনের প্রস্তাবের মধ্যে নীতিগত ও অর্থনৈতিক সমন্বয়ের বিষয়টিও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা, সরকারি বিনিয়োগ, বিদ্যমান অবকাঠামোর ব্যবহার, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং প্রযোজ্য আইন ও নীতিমালা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইন ও বিধি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে এ বিষয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কমতে পারে। আর যদি কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে প্রচলিত বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানটি সব শর্ত পূরণ করে থাকলে সেই তথ্যও স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা জরুরি।

সব মিলিয়ে, সুপার পেট্রোকেমিক্যালের প্ল্যান্ট নির্মাণ ও চালুর অনুমোদন নিয়ে ওঠা প্রশ্নের নিষ্পত্তি হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট নথি, বিশেষজ্ঞ মতামত এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার ভিত্তিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *