“জাতীয় সংসদ হবে বিশ্বমানের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান” : প্রধানমন্ত্রী

মোঃআনজার শাহ 

জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার পথে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর আদলে জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের এক সভা। বিএনপি চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং সংসদের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম সংযোজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন ও আধুনিকায়ন বিষয়ে এ উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সভায় জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেমকে বিশ্বমানের প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়। গণপূর্ত অধিদপ্তর বিশ্বের উন্নত বিভিন্ন সাউন্ড সিস্টেমের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য, সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত বিকল্প, কারিগরি সক্ষমতা এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা উপস্থাপন করে।

উপস্থাপনায় আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের কার্যকারিতা, শব্দের স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করার সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদের কার্যক্রমের সঙ্গে সর্বোচ্চ সামঞ্জস্য বজায় রাখার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য আরও স্পষ্ট ও কার্যকরভাবে সম্প্রচার নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত অতিথিরা প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেন এবং প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সাউন্ড সিস্টেম সংযোজনের মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রম আরও কার্যকর, গতিশীল ও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, জাতীয় সংসদের অবকাঠামোগত আধুনিকায়নের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় প্রযুক্তির আরও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় সংসদের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *