জেলা প্রতিনিধি:
নীলফামারীতে মাদক মামলার আসামি সুজন ইসলামকে আদালতে নেওয়ার সময় পুলিশের কাজে বাধা ও তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে সৈয়দপুরে অভিযান চালিয়ে ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব দোহলপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে সুজন ইসলামকে (৩৪) গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। তিনি একাধিক মাদক মামলার আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে সুজন ইসলামকে আদালতে নেওয়ার সময় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে তার স্বজন ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জড়ো হয়ে তাকে মুক্তির দাবিতে হট্টগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ সময় ২০ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সুজন ইসলামকে আদালতে নেওয়ার সময় আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশের কাজে বাধা দেন। পরে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে ২০ জনকে আটক করে।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয়। পরে ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলায় ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নীলফামারী সদর থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ২০ জনকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলায় ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।