জুলাই আন্দোলনে শহীদ রিফাত হত্যা মামলার আসামী চেয়ারম্যান মনির হোসেন সরকারের খুটির জোর কোথায়

স্টাফ রিপোর্টার দাউদকান্দি কুমিল্লা :

কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা জুলাই আন্দোলনে শহীদ রিফাত হত্যা মামলা সহ ছাত্র জনতার উপর হামলায় জরিত একাদিক মামলার আসামী দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জুলাই আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর হামলা শহীদ রিফাত হত্যা মামলার অন্যতম আসামী (বর্তমানে কারাগারে) মেজর মোহাম্মদ আলীর একান্ত সহযোগী পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদুয়া ইউনিয়নের চিহ্নিত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মনির হোসেন সরকারের খুটির জোর কোথায় পদুয়া ইউনিয়নের সর্ব সাধারন প্রশাসনের নিকট জানতে চায়। পদুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে কয়েকটি গোপন মিটিং করেছে যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে তবে কি পতিত স্বৈরাচারের দোষর মনির হোসেন সরকার আওয়ামিলীগকে সুসংগঠিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সুত্রে একাধিক ব্যক্তি জানান যে নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগকে পুনর্গঠনে অর্থায়ন করে নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগকে সূ সংগঠিত করে গোপনে সরকার বিরোধী যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে নাশকতা সৃষ্টি গোপ্ত হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ সংগঠিত করার পরিকল্পনার সম্ভাবনা ও উরি দেয়া যায় না। প্রতি মাসের অন্তর অন্তর চিকিৎসার নামে ভারত সফরে গিয়ে আওয়ামিলীগ নেতাদের সাথে মিটিং করে দেশে বিশৃঙ্খলা এবং নাশতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে ফ্যাসিবাদের দোষর সন্ত্রাসী
চেয়ারম্যান মনির হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় আওয়ামীলীগের একাধিক শীর্ষ নেতারদের সাথে সুসম্পর্ক থাকায় কাউকে তোয়াক্কা করতেন না বলে জানান পদুয়া ইউনিয়নের জনসাধারণ।
এলাকা বাসির দাবি এক সময়ের দুর্দান্ত প্রভাবশালী এই জনপ্রতিনিধি এখনো গোপনে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং গোপনে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছেন স্থানীয়দের ভাষ্যমতে আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় না থাজলে ও চেয়ারম্যান মনির হোসেন সরকার গোপনে রাজনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং আবার ও নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামিলীগকে রাজনৈতিক ভাবে শক্তি সঞ্চয় করে মাঠে আনার চেষ্টা করছেন।
এলাকা জুড়ে চলছে কানাঘুষা ও তীব্র সমালোচনা আওয়ামিলীগ নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের দোষর ফ্যাসিস্ট চেয়ারম্যান মনির হোসেন সরকারের মতো জঘন্য ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের আদালত থেকে জামিন পায় কি ভাবে। এলাকা বাসি জানায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সন্ত্রাসী চেয়ারম্যান মনির হোসেন সরকার প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে বহু মানষকে বাজারে কিংবা রাজপথে রক্তাক্ত জখম গাড়ী ভাংচুর টাকা ছিনতাই নিকটস্ত শ্রীরায়ের চর বাজারে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি ছিল তার দৈনন্দিন কর্মকান্ডর অংশ। আওয়ামিলীগ ছোট এবং মাজারি পর্যায়ের নেতাদের কাজে লাগিয়ে হত্যার কিলিং মিশন বাস্তবায়ন করতে চায় বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে আর কতো জন হাদী শহীদ হলে ইউনুস সরকারের প্রশাসনের টনক নড়বে। পদুয়া ইউনিয়নের জনসাধারণের দাবি অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে সন্ত্রাসী চেয়ারম্যান মনির হোসেন সরকারের পাসপোর্ট জব্দ করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *