মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে ৪ নম্বর পিলারের কাছে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া দুই ব্যক্তিরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মারুফ (৪০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধারের পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে রাসেল (৪০) নামে অপর ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত দুজনই শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের কর্মী। মারুফের বাড়ি ঢাকার খিলগাঁও এলাকায়। রাসেলের বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলশাখালী গ্রামে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের আটজন কর্মী পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে নদীতে গোসল করতে নামেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও মারুফ ও রাসেল নিখোঁজ হন।
তিনি জানান, ওই দিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে খবর পৌঁছালে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ অভিযানের পর মঙ্গলবার মারুফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর রাসেলের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত ছিল।
মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মালেক খসরু খান জানান, বুধবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার পূর্বে লৌহজং উপজেলার বড় নওপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীতে রাসেলের মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। পরে পুরোনো লৌহজং থানা জামে মসজিদের প্রায় ১০০ মিটার পূর্ব দিক থেকে নৌ পুলিশের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
নৌ পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মঙ্গলবার মারুফের মরদেহ তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার রাসেলের মরদেহও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
দুজনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে পরিচালিত উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে।