ময়মনসিংহ তারাকান্দার মাদ্রাসার ছাত্রী কে অপহরণ,থানার অভিযোগ। সাংবাদিক মোছাঃ নাছিমা খাতুন সুলতানাঃ ময়মনসিংহ জেলার তারা কান্দা উপজেলাধীন ৪ নং গালাগাও ইউনিয়নের গাবরগাতী গ্রামের মোঃ এনামুল বিশ্বাস এর মেয়ে মোছাঃ রুনা আক্তার (১৬) গত ২৬/৫/২৬ ইং তারিখে মাদ্রাসার লেখা পড়া করার জন্য প্রতিদিন এর মত ঘর থেকে মাদ্রাসার যায়। ওইদিন ওই ছাত্রী আর ঘরে ফিরে না। পরে বাড়ি লোকজন মাদ্রাসার ছাত্রী কে খুঁজতে শুরু করে। পরে দিন পাশের বাড়ির মৃত আঃ ছাত্তার বিশ্বাস এর ছেলে মোঃ মাহফুজ বিশ্বাস ফোন করে মেয়ে বাবা বলে আপনার মেয়ে কে আমি নিয়ে এসেছি। অনেক সুপারিশ করা পরও ছাত্রী কে ফেরত দেয়নি। তারপর মাদ্রাসার ছাত্রী বাবা মোঃ এনামুল বিশ্বাস বাদী হয়ে তারকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মোঃ মাহফুজ বিশ্বাস ও তার ভাই মোঃ আলমগীর বিশ্বাস কে আসামি করে। এদিকে কে মাদ্রাসার ছাত্রী মা হালিমা খাতুন মেয়েটি জন্য অনেক কান্নাকাটি করছে। এই নিয়ে পুরো গ্রাম ও এলাকার আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে, ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রামবাসী কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন একই বাড়ি এবং একই গোষ্ঠীর লোক তার আমার অনেক চেষ্টা করেছি। বিষয়টি পারিবারিক ভাবে বসে মিমাংসা জন কিন্তু ছেলে পক্ষ বসতে রাজি না। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর দূত পদক্ষেপ কামনা করছে। ভুক্তভোগী মাদ্রাসার ছাত্রী বাবা,মা সহ পাড়া ও গ্রামবাসী। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে। ময়মনসিংহ জেলার তারা কান্দা উপজেলাধীন ৪ নং গালাগাও ইউনিয়নের গাবরগাতী গ্রামের মোঃ এনামুল বিশ্বাস এর মেয়ে মোছাঃ রুনা আক্তার (১৬) গত ২৬/৫/২৬ ইং তারিখে মাদ্রাসার লেখা পড়া করার জন্য প্রতিদিন এর মত ঘর থেকে মাদ্রাসার যায়। ওইদিন ওই ছাত্রী আর ঘরে ফিরে না। পরে বাড়ি লোকজন মাদ্রাসার ছাত্রী কে খুঁজতে শুরু করে। পরে দিন পাশের বাড়ির মৃত আঃ ছাত্তার বিশ্বাস এর ছেলে মোঃ মাহফুজ বিশ্বাস ফোন করে মেয়ে বাবা বলে আপনার মেয়ে কে আমি নিয়ে এসেছি। অনেক সুপারিশ করা পরও ছাত্রী কে ফেরত দেয়নি। তারপর মাদ্রাসার ছাত্রী বাবা মোঃ এনামুল বিশ্বাস বাদী হয়ে তারকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মোঃ মাহফুজ বিশ্বাস ও তার ভাই মোঃ আলমগীর বিশ্বাস কে আসামি করে। এদিকে কে মাদ্রাসার ছাত্রী মা হালিমা খাতুন মেয়েটি জন্য অনেক কান্নাকাটি করছে। এই নিয়ে পুরো গ্রাম ও এলাকার আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে, ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রামবাসী কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন একই বাড়ি এবং একই গোষ্ঠীর লোক তার আমার অনেক চেষ্টা করেছি। বিষয়টি পারিবারিক ভাবে বসে মিমাংসা জন কিন্তু ছেলে পক্ষ বসতে রাজি না। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর দূত পদক্ষেপ কামনা করছে। ভুক্তভোগী মাদ্রাসার ছাত্রী বাবা,মা সহ পাড়া ও গ্রামবাসী। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।