নিজস্ব প্রতিবেদক:-
বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয়ে আজ শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এক জমকালো আলোচনা সভা, গুণীজন সম্মাননা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলার ঢোল শিল্পী গোষ্ঠীর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন, সাহিত্য, গণমাধ্যম ও সমাজের বিশিষ্টজনেরা।
কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচা মিলনায়তনে বিকেল চারটায় শুরু হতে যাওয়া এই আয়োজনকে ঘিরে ইতিমধ্যে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। আয়োজকদের পক্ষ থেকে সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, এমপি।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখবেন সমাজবিজ্ঞানী, তাত্ত্বিক, শিকড়সন্ধানী গবেষক, হোমোক্রেসি তত্ত্বের প্রবর্তক এবং জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির চেয়ারম্যান কবি মু. নজরুল ইসলাম তামিজী। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বিবিএন নিউজের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান, আর সভাপতিত্ব করবেন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী এবং বাংলার ঢোল শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শিরিন আক্তার বৃষ্টি।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি, লেখক ও শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক; দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার সম্পাদক ও প্রকাশক অশোক কুমার ধর এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. সিরাজুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বিশেষ সম্মাননা। এর পাশাপাশি লোকসংগীত, দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য ও নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হবে বাংলা সংস্কৃতির চিরায়ত সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য।
আয়োজকরা জানান, বাংলার লোকসংস্কৃতি ও শিল্পচর্চাকে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তোলা এবং গুণীজনদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদানই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। তাঁরা প্রত্যাশা করেন, এমন উদ্যোগ দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে সাজ্জাত ফ্যাশন (মিনি গার্মেন্টস) ও গ্রীন সিটি স্বরাজ্য। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে একুশে টেলিভিশন (ETV)।
সংস্কৃতির প্রাণস্পন্দনকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা এই আয়োজন শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।