জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে বাংলাদেশের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরও অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগ করতে চান না লিটন দাস। নিজের ব্যাটিং পারফরম্যান্সও প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি বলে স্বীকার করেছেন তিনি। তবে দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতাকে ক্রিকেটের স্বাভাবিক উত্থান-পতনের অংশ হিসেবে দেখছেন এই অধিনায়ক।
এশিয়ান গেমসে এবার পদক জয়ের আশা নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ১০২ রানে অলআউট হয়ে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচেও হেরে পদকশূন্য থাকতে হয়েছে দলটিকে। এর আগে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ।
ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে লিটন বলেন, ‘আমার পারফরম্যান্স নট আপ টু দ্যা মার্ক। আমি দুইটা ম্যাচেই ভালো পারফরম্যান্স করতে পারিনি।’
এশিয়ান গেমসে দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে মাত্র ২ রান করেছেন লিটন। তার অধিনায়কত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমন পারফরম্যান্সের পর অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগ করবেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, রিজাইন করতে চাই না। তবে হ্যাঁ, ক্রিকেটে আপস অ্যান্ড ডাউনস থাকে। একদিন ভালো হবে, একদিন খারাপ হবে। এখানে রিজাইনের তো কিছু না।’
দলের ব্যর্থতা নিয়ে লিটন স্বীকার করেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই আমরা এটা কাভার-আপ করতে পারিনি। আমাদের ব্যাটিং ওয়াইজ আমরা আজ আপ টু দ্যা মার্ক ছিলাম না। এখানে এসেছি, টার্গেট ছিল অনেক বড়। তো সেটা যখন হয়নি, তারপর আরেকটা অপশন ছিল। সুযোগ আমরা মিস করেছি। ভালো ক্রিকেট খেলতে পারিনি, দ্যাটস হোয়াই সুযোগটা মিস হয়েছে।’
এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পদকের ইতিহাসও এবার থেমে গেল। ২০১০ সালে প্রথমবার অংশ নিয়ে স্বর্ণ জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে ইনচনে বৃষ্টির কারণে রৌপ্য পেয়েছিল দল। ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমসে ক্রিকেট ছিল না। সর্বশেষ ২০২৩ সালে চীনের হাংজু এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ পেয়েছিল ব্রোঞ্জ।
এবার পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে খেলতে গেলেও প্রত্যাশিত ফল পায়নি বাংলাদেশ। দলের এমন ব্যর্থতার পর অনুতপ্ত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে লিটন বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক বিষয়। আমরা দেশ থেকে যখন এসেছি, একটা বড় টার্গেট নিয়ে এসেছি। যখন দিতে পারিনি, অ্যাজ এ টিম হিসেবে, অ্যাজ এ ক্যাপ্টেন হিসেবে সবারই খারাপ লাগবে এবং খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক। বাট অ্যাজ এ বাংলাদেশ টিম অনেক কিছুই দিয়েছে অতীতে। আমার মনে হয় ভবিষ্যতেও দেবে। আমরা ওইটার জন্যই চেষ্টা করব আবার।’