স্পোর্টস ডেস্ক:
রিয়াল মাদ্রিদ ও রিয়াল বেতিসের ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কিলিয়ান এমবাপের নেওয়া পেনাল্টির সময় বেতিসের ডিফেন্ডার মার্ক বার্ত্রার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে কেন পেনাল্টি পুনরায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ম্যাচ কর্মকর্তারা।
শুক্রবার রাতে লা কার্তুহায় নতুন লা লিগা মৌসুমের আলোচিত ম্যাচে মুখোমুখি হয় রিয়াল মাদ্রিদ ও বেতিস। যোগ করা সময়ে পেনাল্টি পেয়ে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছিল রিয়ালের সামনে। স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন এমবাপে।
তবে ফরাসি তারকার নেওয়া দুর্বল শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন বেতিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস। ফিরতি বলও দ্রুত বিপদমুক্ত করেন স্বাগতিক দলের খেলোয়াড়রা। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনির দল।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক। এমবাপে পেনাল্টি নেওয়ার সময় বেতিসের ডিফেন্ডার মার্ক বার্ত্রাকে বক্সের ভেতরে দেখা যায়। পরে এমবাপের ফিরতি বলও তিনিই ক্লিয়ার করেন। রিয়াল মাদ্রিদের দাবি, বার্ত্রা পেনাল্টি নেওয়ার আগেই নিয়ম ভেঙে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন। তাই পেনাল্টি পুনরায় নেওয়ার সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল।
টেলিভিশন রিপ্লেতেও বার্ত্রার শরীরের বড় অংশ বক্সের ভেতরে দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে রিয়াল শিবিরে ক্ষোভ তৈরি হলেও ম্যাচ কর্মকর্তারা পেনাল্টি পুনরায় নেওয়ার নির্দেশ দেননি।
ম্যাচ কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এমবাপে শট নেওয়ার মুহূর্তে বার্ত্রার পা মাটিতে ছিল না। অর্থাৎ দৌড়ের গতিতে তার শরীর বক্সের ভেতরে চলে গেলেও পেনাল্টি নেওয়ার ঠিক সময়ে তার পা মাটির সঙ্গে সংস্পর্শে ছিল না। তাই তাকে নিয়ম ভেঙে আগেভাগে পেনাল্টি এলাকায় প্রবেশকারী খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।
স্প্যানিশ রেফারিদের কারিগরি কমিটির (সিটিএ) নির্দেশনাতেও এ ধরনের পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়। শুধু শরীরের কোনো অংশ বক্সের ভেতরে থাকলেই পেনাল্টি কিকের সময় আগেভাগে প্রবেশের অপরাধ প্রমাণিত হয় না। শট নেওয়ার মুহূর্তে খেলোয়াড়ের পা মাটিতে স্পর্শ করছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
ফলে বার্ত্রার শরীর বক্সের ভেতরে থাকলেও তার পা মাটিতে না থাকায় ম্যাচ কর্মকর্তাদের কাছে সেটি নিয়মভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়নি। এ কারণেই এমবাপের পেনাল্টি ব্যর্থ হওয়ার পর রিয়াল মাদ্রিদকে দ্বিতীয়বার স্পটকিক নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।