জিয়া মঞ্চকে বিএনপির অঙ্গসংগঠন ঘোষণার দাবি জানালেন ইঞ্জিনিয়ার জামাল হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার:

জিয়া মঞ্চ বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর অঙ্গসংগঠনের তালিকায় জিয়া মঞ্চকে ১২তম অঙ্গসংগঠন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জামাল হোসেন। সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ দাবি তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক স্বীকৃতি, রাজনৈতিক কার্যক্রমের মূল্যায়ন এবং সংগঠনটির অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

ইঞ্জিনিয়ার জামাল হোসেন বলেন, জিয়া মঞ্চ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী চেতনাকে ধারণ করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা। একই সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ ও লক্ষ্য সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা এবং দলের পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখা সংগঠনটির অন্যতম উদ্দেশ্য। তিনি মনে করেন, জিয়া মঞ্চের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে সংগঠনটিকে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের তালিকায় যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

সম্মেলনে তিনি আরও দাবি জানান, জিয়া মঞ্চকে বিএনপির ১২তম অঙ্গসংগঠন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি দলীয় নীতিনির্ধারকদের গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, সাংগঠনিক স্বীকৃতি প্রদান করা হলে জিয়া মঞ্চের নেতাকর্মীরা আরও সুসংগঠিতভাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে। পাশাপাশি দলের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবেন।

মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে জিয়া মঞ্চের পরিচয় তুলে ধরে ইঞ্জিনিয়ার জামাল হোসেন বলেন, সংগঠনটির সাংগঠনিক অবস্থান ও কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপির সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি বিবেচনা করে জিয়া মঞ্চকে অঙ্গসংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন।

বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলনে জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। সম্মেলন থেকে উত্থাপিত এ দাবি জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক স্বীকৃতির প্রত্যাশাকে সামনে নিয়ে এসেছে। তবে এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা বক্তব্য দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *