নিজস্ব প্রতিবেদক:
উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি সমতল বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার কিছু এলাকায় তিস্তার পানি সতর্কসীমা বা ওয়ার্নিং লেভেলে প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি সমতল বেড়েছে। ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন এসব নদ-নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে। এরপর তৃতীয় দিনে পানি কমতে পারে। দেশের সব প্রধান নদ-নদী বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দক্ষিণ উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ এলাকায় অবস্থানরত স্থল গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দুর্বল হয়েছে। বর্তমানে এটি উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক দিন দেশের উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পরবর্তী দুই দিন দেশের অভ্যন্তরে ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল কমেছে এবং যমুনার পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী পাঁচ দিন ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি সমতল কমতে পারে।
গঙ্গা ও পদ্মার পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। গঙ্গার পানি আগামী দুই দিন কমে পরবর্তী তিন দিন বাড়তে পারে। পদ্মার পানি আগামী দুই দিন কমে পরবর্তী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি সমতলও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী তিন দিন এ দুই নদীর পানি সমতল কমতে পারে।