স্টাফ রিপোর্টার:
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার খলসি ইউনিয়নের খলসি পুরাতন বাজারে মেসার্স রবিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোঃ ফরহাদের বিরুদ্ধে ডিএপি সার আনুমানিক দুই ঘন্টার মধ্যে সার গায়ের হওয়া তথ্য জানতে গিয়ে ও সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
সরজমিনে ১৪ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে আনুমানিক ২টার দিকে ফরহাদের দোকানে সরকারি বরাদ্দের ৫০ বস্তা ডিএপি সার আসে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তবে মাত্র দুই–তিন ঘণ্টার ব্যবধানে সারগুলোর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি যা সন্ধায় ফিরে যাই ডিলার ফরহাদ এর কাছে। সার গায়েব হওয়ার বিষয়ে ফরহাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি সঠিক জবাব না দিয়ে তালবাহানা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
শুক্রবার সন্ধায় ঘটনার পর সন্ধ্যায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হেলান কে সাংবাদিক মুঠোফোনে জানান—
“ শনিবার দুপুরে ডিলার ফরহাদের কাছে আসবো, আপনিও আসবেন,সরজমিনে ৫০ বস্তা গায়েব হওয়া সার রেজিস্টার চেক করে দেখবেন, ৫০ বস্তুা ডিএবি সার ডিলারের রেজিস্ট্রারে সততা ও খলসি ৪ নং ওয়ার্ডের জনগণ পেয়েছেন কিনা।
পরদিন (১৫ নভেম্বর) শনিবার দুপুর ১২টার দিকে কৃষি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সাংবাদিকরা ফরহাদের দোকানে গেলে ফরহাদের ছেলে, ভাতিজা এবং তার সহযোগী সন্ত্রাসী চক্র সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়, কেড়ে নেওয়া দুটি মোবাইল। একটু পরে ঘিওর উপজেলার সাংবাদিক ফরিদ ও সাংবাদিক জীবন চলে আসেন। তারা সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার বিষয় অবগত হন। দৈনিক স্বাধীন সংবাদ-এর সাংবাদিক কে একা পেয়ে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে, তাদের ফোন দিয়ে ডিডিও করে আনুমানিক ৪ ঘন্টা হেনেস্তা করেন এবং কৃষি কর্মকর্তার সামনেই অসৌজন্যমূলক আচরণ করে তিনি বাহিরে পাশ কেটে বসে থাকেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে নিকটবর্তী ঘিওর উপজেলার আরও দুই সাংবাদিক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এরপর ডিলার ফরহাদ ফোন করে তাদের অনুসরী লোকের সামনে সাদা কাগজে স্বাক্ষর আদায় করে ডিলারের লোকজন মোবাইল ফোনগুলো ফেরত দেয়। মোবাইলের মধ্যে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অবহিত করা হলে তিনি বলেন—
“বিষয়টি আমার নলেজে রইলো। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”