পটিয়ায় দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে নাচঘর উদ্বোধন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ

মোঃ সোহেল: 

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট সেনপাড়া এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে নবনির্মিত নাচঘরের শুভ উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) সনাতনী সংগঠন ‘জয় মা-জয় বাবা লোকনাথ পরিষদ’-এর উদ্যোগে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও উপস্থিতিবৃন্দ

পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান লিটন মিশ্রের সভাপতিত্বে এবং নেতৃত্বে নাচঘরটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ও সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—

সাধারণ সম্পাদক: নান্টু ঘোষ
অর্থ সম্পাদক: শুভ দে
সহ-অর্থ সম্পাদক: আকাশ বিশ্বাস
উপদেষ্টা: ডা. বিউটি পাল নন্দী
অন্যান্য সদস্য: মিলন দাশ, রুবেল পাল, নান্টু দাশ, নয়ন মজুমদার, সাগর, সুমন, লিটন, রানা, বিপুল, রবি, রাহুল, মিন্টু, ছোটন, দোলন, পলাশ, বাপ্পু, উত্তম, রিপন, কাজল, বিশু, অজয়, বাবলু প্রমুখ।

বক্তাদের বক্তব্য

অনুষ্ঠানে বক্তারা মন্দিরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

“আমরা এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে শুধু ধর্মীয় নয়, বরং বিভিন্ন মানবিক কাজও পরিচালনা করছি। ভবিষ্যতেও আমাদের এই সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
— লিটন মিশ্র (প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান)

“স্থানীয় সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। নাচঘরটি সেই লক্ষ্যেরই একটি অংশ।”
— নান্টু ঘোষ (সাধারণ সম্পাদক)

উপদেষ্টা ডা. বিউটি পাল নন্দী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্থানীয় বাসিন্দা মিলন দাশ মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

মানবিক কার্যক্রম ও মহাপ্রসাদ বিতরণ

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক ভক্তবৃন্দের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ‘জয় মা-জয় বাবা লোকনাথ পরিষদ’ দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় আর্তমানবতার সেবা এবং মন্দিরের উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে আসছে।

নাচঘরটি নির্মিত হওয়ায় এখন থেকে মন্দিরের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো আরও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *