মাসোহারা না দেওয়ায় টিআই ফারুকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, নিন্দা ও প্রতিবাদ

স্টাফ রিপোর্টার:

চট্টগ্রামের পটিয়া থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে একটি অসাধু সেন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র টিআই ফারুকের কাছ থেকে মাসোহারা দাবি করে আসছিল। তাদের দাবি অনুযায়ী মাসিক অর্থ না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই চক্র বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করছে।

মিথ্যা অভিযোগে বলা হয়েছে, মহাসড়কে চলাচলকারী অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করেন টিআই ফারুক। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির নেতারা। তারা জানান, টিআই ফারুক কখনো তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের মাসিক বা অবৈধ অর্থ নেননি। বরং তিনি মহাসড়কে সকল প্রকার চাঁদাবাজি বন্ধ করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।

এ বিষয়ে মানবাধিকার ও প্রেস সোসাইটির চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দৈনিক স্বাধীন সংবাদসহ কয়েকটি পত্রিকার বিভাগীয় প্রধান মিথ্যা সংবাদগুলোর তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে তারা জানান, টিআই ফারুকের বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তারা এসব অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলের যথাযথ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া এলাকাসহ সংশ্লিষ্ট মহাসড়কে অনুমোদনহীন সিএনজি অটোরিকশার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন টিআই ফারুক। তিনি পটিয়া সদরকে যানজটমুক্ত রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত তদারকির ফলে এলাকায় যানবাহন চলাচল অনেকটাই শৃঙ্খলাপূর্ণ হয়েছে।

এলাকাবাসী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, বর্তমানে পটিয়া সদরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজির অভিযোগ নেই এবং সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে নিয়মিতভাবে যানবাহনের জরিমানার অর্থ জমা হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের হেয় করতে এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *