স্টাফ রিপোর্টার:
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে সারা দেশে সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সংগঠনের সভাপতি ও বিএমএসএফ-এর চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দৈনিক মুখপাত্রের বার্তা সম্পাদক, দৈনিক গড়ব বাংলাদেশ ও দৈনিক এই আমার দেশ-এর নির্বাহী সম্পাদক এবং ব্যাংক বীমা অর্থ নিউজ-এর প্রধান সম্পাদক এম হোসাইন আহমদ।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক বীমা অর্থ নিউজ-এর নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক গড়ব বাংলাদেশ-এর সহকারী সম্পাদক এবং দৈনিক মুখপাত্রের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মো. নুরনবী সোহেল; দৈনিক মুখপাত্রের বিশেষ প্রতিনিধি রাজিবুল হক রনি; এবং দৈনিক গড়ব বাংলাদেশ-এর স্টাফ রিপোর্টার সারজিদ আহাম্মেদ অপু।
সাক্ষাৎকালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ-এর বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সারা দেশে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও পেশাগত ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিক সমাজ আজ নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় সাংবাদিকদের শারীরিক, মানসিক ও আইনি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীভিত্তিক অবস্থানের বাইরে এসে পেশাজীবী হিসেবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একই সঙ্গে সকল সাংবাদিক সংগঠনকে সমন্বিতভাবে কাজ করে সাংবাদিকদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
মতবিনিময়কালে আহমেদ আবু জাফর সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষায় সংগঠনটি সবসময় সোচ্চার রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আরও জোরালোভাবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে রাজধানী থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, সচেতনতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় এম হোসাইন আহমদও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর ও শক্তিশালী সাংগঠনিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কেবল বিবৃতি বা প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ, সক্রিয় সংগঠন এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও দৃশ্যমান প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে দেশব্যাপী সম্মিলিত উদ্যোগ জোরদার করা, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং পেশাজীবী সাংবাদিকদের স্বার্থরক্ষায় একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।