নাসির আহমেদ:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে একটি গর্জন গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় নড়াইলের কালিয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের যৌথ আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও সামাজিক বনায়ন কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স. ম. ওহিদুজ্জামান মিলু, বন বিভাগের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয় সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএনও মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কমাতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ কর্মসূচি দেশের বনজ সম্পদ বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স. ম. ওহিদুজ্জামান মিলু পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের এই বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ আরও সবুজ, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বক্তারা সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং রোপণ করা গাছের যথাযথ পরিচর্যার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিরা বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।