১০ মাসে ১২০ জনকে ভিলা বুঝিয়ে দিয়েছে ছুটি গ্রুপ: মিজানুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের পর্যটন, রিসোর্ট ও আতিথেয়তা খাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে যাত্রা শুরুর পর ধীরে ধীরে বিভিন্ন পর্যটন ও আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের আওতায় ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজার, ছুটি বে, ছুটি ভিলা, ছুটি নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট, ছুটি সান্তোরিনি কুয়াকাটা ও ছুটি গাজীপুরসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্প রয়েছে।

আবাসন মেলা ২০২৬ উপলক্ষে ছুটি গ্রুপ তাদের বিভিন্ন প্রকল্প ও বিনিয়োগসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের তথ্য তুলে ধরছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত ১০ মাসে ১২০ জন গ্রাহকের কাছে ভিলা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আবাসন ও পর্যটন খাতে গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখতে শুধু প্রকল্প গ্রহণ নয়, সময়মতো তা বাস্তবায়ন ও হস্তান্তরকে গুরুত্ব দিচ্ছে ছুটি গ্রুপ। গ্রাহকের বিনিয়োগের বিপরীতে নির্ধারিত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকল্পের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ছুটি গ্রুপের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সাল থেকে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গ্রুপটির আওতায় বর্তমানে একাধিক রিসোর্ট ও সম্পত্তিভিত্তিক প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে ছুটি ভিলাকে পরিবারের জন্য ব্যক্তিগত ভিলা প্রকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ছুটি গ্রুপের বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্পদ গঠন, রিসোর্টে থাকার সুবিধা, সদস্যভিত্তিক বিভিন্ন সুযোগ এবং বিনিয়োগ হস্তান্তর ও পুনর্বিক্রয়ের সুবিধার কথা রয়েছে। তবে প্রকল্পভেদে এসব সুবিধার ধরন ও শর্ত আলাদা হতে পারে।

২০২৬ সালের মে মাসে ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজার ও প্রাইম ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। ছুটি গ্রুপের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই সমঝোতার আওতায় ছুটি বে, ছুটি ভিলা কুয়াকাটা এবং ছুটি ভিলা কক্সবাজারের বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ব্যাংকটির ইএমআই সুবিধা প্রযোজ্য হওয়ার কথা জানানো হয়।

ছুটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান পেশায় স্থপতি। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে তার বক্তব্য অনুযায়ী, ছুটি রিসোর্ট গাজীপুর, ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচল, ছুটি বে এবং ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজারসহ গ্রুপের বিভিন্ন প্রকল্পের পরিকল্পনা ও স্থাপত্য নকশার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।

আবাসন মেলা ২০২৬-এ ছুটি গ্রুপের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের আবাসন, ভিলা ও পর্যটনভিত্তিক প্রকল্পগুলো সম্ভাব্য ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরছে। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে আগ্রহী ক্রেতারা প্রকল্পের অবস্থান, সুযোগ-সুবিধা, মূল্য, মালিকানা কাঠামো, হস্তান্তরের সময়সীমা ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

ছুটি গ্রুপের দাবি অনুযায়ী, গত ১০ মাসে ১২০ জনকে ভিলা বুঝিয়ে দেওয়ার তথ্য তাদের প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতির একটি দৃষ্টান্ত। তবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের অনুমোদন, জমির মালিকানা, চুক্তির শর্ত, হস্তান্তরের সময়সীমা এবং অন্যান্য আইনগত নথি যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

আবাসন মেলা ২০২৬-এ দেশের বিভিন্ন আবাসন ও সম্পত্তি উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলার মাধ্যমে ক্রেতারা বিভিন্ন প্রকল্পের তথ্য তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের চলমান ও ভবিষ্যৎ প্রকল্প সম্পর্কে সম্ভাব্য ক্রেতাদের অবহিত করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *