নাঈম উদ্দিন :
এশিয়ার এক অনন্য নজির নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত সিটি কবরস্থান, শ্মশান,খৃষ্টান সমাধিস্হল। এখানে পাশাপাশি শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয় চার ধর্মের মানুষের। প্রায় ১০ একর জায়গা জুড়ে এসব স্হাপনা। মুসলিমদের জন্য রয়েছে কবরস্হান। ঠিক এর পাশেই অবস্থান খৃস্টান সম্প্রাদায়ের শেষ সমাধিস্হল। এর পাশেই রয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশান।
এখানে প্রত্যেক সমাধিস্হলে যাবার জন্য রয়েছে আলাদা ফটক। তবে কেউ চাইলে যেকোন এক ফটক দিয়ে সব স্হান ঘুর আসতে পারে।
বৃটিশ আমলে হর কান্ত ব্যানার্জি নামক এক জনপ্রতিনিধি এ জায়গা দান করেন। কবরস্থান ও শ্মশানের বয়স ১০০ বছর। তবে কোন কোন সংস্কৃতিকদের মতে এগুলো ১৮৮২-৮৫ সালের মধ্যে স্থাপিত। তবে খ্রিস্টান সমাধি স্হাপন করা হয় মুক্তিযুদ্ধের পরে।
১৯২৮ সনে খুন হওয়া জে কে সেন নামের এক জনের সামাধি দেখা যায় তাছাড়াও মুসলিমদের জন্য নির্মিত চারতলা বিশিষ্ট মসজিদে এক সাথে প্রায় ৬০০০ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারে। জুমার দিন বহু দুর- দুরান্ত হতে মানুষ আসে নামাজ আদায় করতে এবং প্রিয়জনদের কবর জিয়ারতের জন্য।
শ্মাশনে নির্মান করা হয়েছে কালি মন্দির এবং কর্মচারিদের থাকার জন্য বহুতল বিশিষ্ট ভবন।
এসকল স্হাপনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানান সম্প্রিতির সাথে শেষ কৃত্য হতে শুরু করে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন একে অপরের সহযোগিতার এতে কোন সমস্যা হয় নি এখনো। সম্প্রিতির এক অপূর্ব মেলাবন্ধন হয়ে দাড়িয়েছে নারায়ণগঞ্জ।